পূর্বাচল আমেরিকান সিটি
বাংলাদেশের প্রথম স্মার্ট সিটি
স্মার্ট সিটি কী?
বর্তমান শতাব্দীতে বিশ্বজুড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কিভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে টেকসই ও আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়। এই প্রশ্নের কার্যকর সমাধানই হলো ‘স্মার্ট সিটি’ ধারণা।
একটি স্মার্ট সিটি সর্বপ্রথম নিশ্চিত করে যে এর উন্নয়ন পরিবেশবান্ধব ও টেকসই। এতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সৌরশক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়। এই আধুনিক ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘পূর্বাচল আমেরিকান সিটি’ প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছে।
ইতোমধ্যে এখানে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে, পাশাপাশি সর্বোচ্চ অক্সিজেন উৎপাদনকারী ও পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন দেশি-বিদেশি গাছের মাধ্যমে ব্যাপক সবুজায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিটি প্লটের পিছনে রয়েছে ১২ ফুট গ্রীন জোন যা বাংলাদেশের অন্য কোন প্রকল্পে নেই। প্রকল্পটিতে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন পার্ক, সুবিশাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড, প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৫০ ফুট প্রশস্ত লেক, যার পাশে ১৫ ফুট প্রশস্ত ওয়াকওয়ে। বাংলাদেশের মধ্যে এটিই প্রথম প্রকল্প যেখানে পৃথক এন্ট্রি ও এক্সিট সড়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রীন এনার্জি কনসেপ্টের উপর ভিত্তি করে পুরো প্রকল্প জুড়ে ইলেকট্রিক কার পার্কিং সুবিধা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আধুনিক তারবিহীন সিসিটিভি প্রযুক্তি, প্রশিক্ষিত নিরাপত্তা বাহিনী, ডগ স্কোয়াড, স্মার্ট এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম এবং ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা কেন্দ্র নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে উন্নত ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও ‘সোলার হোম সলিউশন’ প্রযুক্তি। একটি আদর্শ স্মার্ট আবাসন প্রকল্প হিসেবে এখানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে ‘গ্রীন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’ এবং ‘ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’ এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব আধুনিক সুবিধার সমন্বয়ে গড়ে উঠছে একটি পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও ভবিষ্যতমুখী নগরী—‘পূর্বাচল আমেরিকান সিটি’। এটি আপনাকে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ্যের মধ্যে একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ প্রদান করবে। বাংলাদেশের অন্যতম আধুনিক স্মার্ট সিটি হিসেবে ‘পূর্বাচল আমেরিকান সিটি’-তে আপনি নিশ্চিন্তে আস্থা রাখতে পারেন।
মূল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধাসমূহঃ
নিরাপত্তা, ইউটিলিটি ও পরিবহনঃ
- ২৪/৭ সিসিটিভি নজরদারি এবং ফায়ার স্টেশন
- বুয়েট বিশেষজ্ঞদের পরিকল্পনায় ট্রাফিকমুক্ত স্মার্ট সিটি
- বুয়েট কর্তৃক উন্নত আধুনিক সুয়ারেজ ব্যবস্থা
- ১৪০ ফুট প্রশস্ত প্রধান সড়ক
- মেট্রো কার্ড ভিত্তিক শাটল বাস সার্ভিস
- দেশের প্রথম রিকশামুক্ত প্রকল্প
- অভ্যন্তরীণ পরিবহনের জন্য ইলেকট্রিক যানবাহন
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাঃ
- গ্রীন ইউনিভার্সিটি সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়
- ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতাল
- আন্তর্জাতিক বোর্ডিং স্কুল
- ক্যামব্রিজ কারিকুলাম ভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যম স্কুল
- জাতীয় কারিকুলাম ভিত্তিক বাংলা মাধ্যম স্কুল
- কলেজ
লাইফস্টাইল, বিনোদন ও অবকাশঃ
- আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং ৯ হোল গলফ কোর্স
- কনভেনশন সেন্টার ও ট্রেড সেন্টার
- কেন্দ্রীয় মসজিদ, সেক্টরভিত্তিক মসজিদ, কবরস্থান ও খেলার মাঠ
- আধুনিক ক্লাব হাউস যেখানে থাকবে:
- ইনডোর স্পোর্টস সুবিধা
- সুইমিং পুল ও জিম
- সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম সুবিধা
- ক্যাটারিং সার্ভিস
- লেকসাইড পার্ক:
- ১৫০ ফুট প্রশস্ত লেক
- লেকের পাশে ১৫ ফুট প্রশস্ত হাঁটার পথ
শপিং ও দৈনন্দিন সুবিধাঃ
- আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স যেখানে থাকবে:
- কিডস জোন
- সিনেপ্লেক্স
- ইনডোর অ্যামিউজমেন্ট পার্ক
- জিম ও সুইমিং পুল
- প্রতি ৪টি ব্লকের জন্য মিনি সুপারমার্কেট, যেখানে থাকবে:
- গ্রোসারি শপ
- ফার্মেসি
- বারবার শপ ও বিউটি পার্লার
- লন্ড্রি সার্ভিস
- রেস্টুরেন্ট
অন্যান্য সুবিধাঃ
- পিএসি ক্লাব
- ৫-তারকা হোটেল
- সরকারি “নিউ টাউন প্রজেক্ট”-এর সকল সুবিধা ভোগের সুযোগ
- মোট জমির প্রায় ৪২% জনকল্যাণ ও পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য বরাদ্দ
যোগাযোগ ও কর্পোরেট সুবিধাঃ
- মেট্রোরেল সংযোগ
- হেলিপ্যাড সুবিধা
- ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান কার্যালয়
- ইউএস-বাংলা কর্পোরেট অফিস
অবকাঠামোগত সুবিধাসমূহঃ
- পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, পোস্ট অফিস পয়ঃনিষ্কাশন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ স্টেশন
- উল্লেখিত অবকাঠামোর জন্য প্রকল্পে জমি/স্থান নির্ধারিত
- আবাসিক প্লট: ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭.৫ কাঠা
- বাণিজ্যিক প্লট: ১০, ১৫, ২০ ও তদূর্ধ্ব কাঠা (FAR নীতিমালা অনুযায়ী প্লটসমূহ সুবিন্যস্ত)
- অভ্যন্তরীণ রাস্তা সমূহ: ২৫ ফুট, ৩০ ফুট, ৩৫ ফুট, ৪০ ফুট, ৪৫ ফুট, ৫০ ফুট, ৬০ ফুট, ৮০ ফুট, ১০০ ফুট ও ১৪০ ফুট প্রশস্ত
অবস্থানগত সুবিধাসমূহঃ
- কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে ১৫ মিনিটের দূরত্ব
- প্রস্তাবিত ঢাকা-পূর্বাচল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সুবিধা
- ঢাকা-সিলেট বাইপাস মহাসড়কের সাথে সংযোগ
- প্রকল্পের পাশে প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ের অবস্থান (চট্টগ্রাম-মিয়ানমার-চীন)




